এই যে শুনছিস .........
জ্বিবটা তোর ঠোটের স্বাদ চাইছে আজ ।
কি করবো বল ,
চোখের সামনে অমন করে ঠোট কেন নাড়িস অনর্গল?
আজকাল বড্ড বেশি বাচাল হয়েছিস ,
এ চোখদুটোকে তোর মোহে অন্ধ করে রাখার মন্ত্রটাও ভালই রপ্ত করেছিস .........
তোর চোখে ভুরি ভুরি স্বপ্ন , ভালবাসার হাতছানি
আমার দেহে একুশের উত্তাপ , কাছে গেলেই পুড়বি ,জানিস ?
তাই তো তোর অমতেই ঢালছি পানি
কতটা আর পারি বল , তোর কামুক ঠোটের ডাকেতে আজ আমি বিহ্বল ।
জ্বিবটা তোর ঠোটের স্বাদ চাইছে আজ ।
কি করবো বল ,
চোখের সামনে অমন করে ঠোট কেন নাড়িস অনর্গল?
আজকাল বড্ড বেশি বাচাল হয়েছিস ,
এ চোখদুটোকে তোর মোহে অন্ধ করে রাখার মন্ত্রটাও ভালই রপ্ত করেছিস .........
তোর চোখে ভুরি ভুরি স্বপ্ন , ভালবাসার হাতছানি
আমার দেহে একুশের উত্তাপ , কাছে গেলেই পুড়বি ,জানিস ?
তাই তো তোর অমতেই ঢালছি পানি
কতটা আর পারি বল , তোর কামুক ঠোটের ডাকেতে আজ আমি বিহ্বল ।
তুই জানিস তুই কাছে থাকলে আমি আধারেও দেখতে পাই ...
দূরে গেলেই দিনেও তাল কানা হয়ে যাই ।
তোর কি ভয় বলে কিছু নেই ?
এতটা কেন কাছে এলি ,
এখনই তো এই অসভ্য কবি খুলবে তোর খোপার বেলী ।
সব গন্ধ ছাপিয়ে আমার নাকে আজ শুধু তুই তুই গন্ধ ।
তুইও তো দেখছি কাম জ্বালায় আজ আমার মতই অন্ধ
সাহসটা যখন বাড়িয়েই দিলি -
এই দেখ আমার হাতে তোর কোমড়
তোর সবটূকু মধু নিংড়ে নিবে আজ, আসভ্য এই ভ্রমর
কাপছিস কেন তুই ?
শক্ত করে জড়িয়ে ধরতে গেলেই তোর ঐখানটায় লাগছে আমার আগুন গরম সুই ।
আচলটা টেনে ফেলে দিয়ে তুই অর্ধনগ্ন
সবুরে মেওয়া ফলে সে কথা কি আর শোনে কবি কর্ণ !
তোর খুব কাছে যেতেই বললি - কবি পুড়ে হবে ছাড়খাড়
আমি তো চাই ই তোর উত্তাপে ফেটে যাক আমার ৬ ইঞ্চি থার্মোমিটার
সবটুকু পারদ আজ ডালবো তোর ভেতর ,
হা হা হা , এখনে কেন ভয়ে ভয়ে ডাকছিস আমায় ইতর ?
তোর বুকে আমার মুখ
অনবরত করছি চুক চুক ।
তুই জ্বালাচ্ছিস আমার শরীরে অনল
এ কি ? তোর যোনি দেখি কাটছে অনবরত জল ।
তোর নগ্ন কম্পিত উরুর নির্বাক আহ্বান
শেষ মেশ অজগরটাকে করিয়ে ফেললাম তোর যোনির জলে স্নান ।
থপ থপ -থপ থপ - থপ থপ শব্দ দূষণ
আমার ভেতরের পশুটা করে বসেছে আজ অনশন
তুই না চাইলে আজ বেরোবে না আমার কামজল
তুই অজগরটাকে আদর কর তোর গর্তে চেপে ধর তোকে সুখ দিতে গিয়ে দেখ হচ্ছি কেমন বিহ্বল ।
তুই আমার উরুতে শক্তভাবে গাথা
জোর করে টেনে সরাচ্ছি তোর বুকের উপরে লেপ্টে থাকা কাথা ।
এত লজ্জা কিসের তোর ?
চোখ বেয়ে গড়িয়ে পরা তোর আনন্দ অশ্রু দিয়েই না হয় ভিজে যাক আমার স্নিগ্ধ ভোর ।
দূরে গেলেই দিনেও তাল কানা হয়ে যাই ।
তোর কি ভয় বলে কিছু নেই ?
এতটা কেন কাছে এলি ,
এখনই তো এই অসভ্য কবি খুলবে তোর খোপার বেলী ।
সব গন্ধ ছাপিয়ে আমার নাকে আজ শুধু তুই তুই গন্ধ ।
তুইও তো দেখছি কাম জ্বালায় আজ আমার মতই অন্ধ
সাহসটা যখন বাড়িয়েই দিলি -
এই দেখ আমার হাতে তোর কোমড়
তোর সবটূকু মধু নিংড়ে নিবে আজ, আসভ্য এই ভ্রমর
কাপছিস কেন তুই ?
শক্ত করে জড়িয়ে ধরতে গেলেই তোর ঐখানটায় লাগছে আমার আগুন গরম সুই ।
আচলটা টেনে ফেলে দিয়ে তুই অর্ধনগ্ন
সবুরে মেওয়া ফলে সে কথা কি আর শোনে কবি কর্ণ !
তোর খুব কাছে যেতেই বললি - কবি পুড়ে হবে ছাড়খাড়
আমি তো চাই ই তোর উত্তাপে ফেটে যাক আমার ৬ ইঞ্চি থার্মোমিটার
সবটুকু পারদ আজ ডালবো তোর ভেতর ,
হা হা হা , এখনে কেন ভয়ে ভয়ে ডাকছিস আমায় ইতর ?
তোর বুকে আমার মুখ
অনবরত করছি চুক চুক ।
তুই জ্বালাচ্ছিস আমার শরীরে অনল
এ কি ? তোর যোনি দেখি কাটছে অনবরত জল ।
তোর নগ্ন কম্পিত উরুর নির্বাক আহ্বান
শেষ মেশ অজগরটাকে করিয়ে ফেললাম তোর যোনির জলে স্নান ।
থপ থপ -থপ থপ - থপ থপ শব্দ দূষণ
আমার ভেতরের পশুটা করে বসেছে আজ অনশন
তুই না চাইলে আজ বেরোবে না আমার কামজল
তুই অজগরটাকে আদর কর তোর গর্তে চেপে ধর তোকে সুখ দিতে গিয়ে দেখ হচ্ছি কেমন বিহ্বল ।
তুই আমার উরুতে শক্তভাবে গাথা
জোর করে টেনে সরাচ্ছি তোর বুকের উপরে লেপ্টে থাকা কাথা ।
এত লজ্জা কিসের তোর ?
চোখ বেয়ে গড়িয়ে পরা তোর আনন্দ অশ্রু দিয়েই না হয় ভিজে যাক আমার স্নিগ্ধ ভোর ।

0 comments:
Post a Comment